জাকারিয়া খান (ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি)
ফরিদপুরের ভাঙ্গার আ'লীগের সাধারণ সম্পাদককের যোগদান নিয়ে ফরিদপুর-৪ আসনের বিএনপি'র মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেছেন, ভাঙ্গা উপজেলা পৌর আ' লীগের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল হক মিরু মুন্সির বিষয়ে বিগত ১৭ বছরে মানুষের সঙ্গে অন্যায় জুলুম নির্যাতন অথবা কোন ফ্যাসিবাদের কথা শুনলে এই মুহূর্তে তাকে দলে গ্রহণ করতাম না।
তিনি মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বিকেলে ভাঙ্গা মহিলা ডিগ্রী কলেজ মাঠে আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
শহিদুল ইসলাম বাবুল আরো বলেন, অনেক মানুষ আছে আওয়ামী লীগ করেন, তারা অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না, তাদেরকে তো আমি বঙ্গোপসাগরে ফেলে দিতে পারব না, যারা অন্যায় করেছে, জুলুম নির্যাতন করেছে মানুষের সঙ্গে, মানুষের সম্পদ লুণ্ঠন করেছে, মানুষের টাকা পয়সা চুরি করেছে, তাদেরকে কেউ দাবড় দেয় নাই তারা এমনিতেই বর্ডার পার হয়ে পালাই চলে গেছে, কেউ কেউ আবার গর্তের মধ্যে আছে।
সেই জন্য আমি প্রশাসনের লোকদেরকে অনুরোধ করবো দয়া করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জুলুম করবেন না, যারা চিহ্নিত, যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, যারা অন্যায় করেছে, তাদেরকে আপনারা গ্রেপ্তার করেন।
সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর সমালোচনা করে এই নেতা বলেন, যারা উন্নয়নের নামে ফুলঝুরির বক্তব্য দিয়েছেন,তারা শুধু
উন্নয়নের কথা মুখেই বলে মূলত তারা কোন উন্নয়নই করে নাই।
আমরা কথা দিচ্ছি আপনারা ১৭ বছর এই মহিলা কলেজের একটি ইটও উন্নয়ন করেন নাই, আমরা সরকারে এলে মহিলা কলেজকে সরকারি করা হবে। আমরাই এই কলেজকে প্রতিষ্ঠা করেছি এবং আমরাই সরকারি করে দিব।
এই নেতা বলেন, ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ১৯৭৯ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ৩০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল করে দিয়েছেন, ২০০৩ সালে নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৩০ থেকে ৫০ বেডে উন্নীত করেছেন,আগামীতে আমরা ক্ষমতায় গেলে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে।
যুবলীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাবেক এমপি নিক্সন চৌধুরীর সাবেক ঘনিষ্ঠ সহযোগী সদ্য বিএনপিতে যোগদানকারী আকরামুজ্জামান ভিপি মিঠুর সভাপতিত্বে ভাঙ্গা উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাঈদ মুন্সির সঞ্চালনায় অন্যন্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেন সেলিম, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বিট্টু, নব যোগদানকারী, আ' লীগ নেতা সাবেক কমিশনার লিয়কত মোল্লা,শেখ সৈয়দ আলী, জাকুমুন্সি, মিজান মুন্সী, মজিবর মুন্সি প্রমূখ।
কেন্দ্রীয় এই নেতার হাতে ফুলের তোড়া উপহার দিয়ে প্রায় শতাধিক নেতা কর্মী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শহিদুল ইসলাম বাবুলের হাত ধরে যোগদান করেন।